গুলশান ট্রাজেডি : ভেতর থেকে ফোনে চাচার সাথে যোগাযোগ করেছেন একজন !

গুলশান ট্রাজেডি : রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারি রেস্তোরাঁয় জিম্মি হয়ে থাকা একজন তার চাচাকে মোবাইলে আজ শুক্রবার রাতে বলেছেন, ‘ওরা আমাদের জিম্মি করে রাখছে।’

 

রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারি রেস্তোরাঁয় ১০ জন যুবক অতর্কিতে ঢুকে পড়ে কয়েকজনকে জিম্মি করেছে। জিম্মি হয়ে পড়াদের মধ্যে আনুমানিক ২০ জনই বিদেশি রয়েছেন বলে জানিয়েছেন ওই বেকারির সুপারভাইজার সুমন রেজা। আজ শুক্রবার রাত পৌনে নয়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

 

ঘটনাস্থাল থেকে আনোয়রুল করিম নামে একজন এটিএন২৪অনলাইন নিউজের কাছে দাবি করেন, তার ভাতিজা প্রকৌশলী হাসনাত করিম, হাসনাতের স্ত্রী ও দুই ছেলে মেয়েকে রেস্তোরাঁটিতে জিম্মি করে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে তার সঙ্গে হাসনাতের মোবাইলে প্রথম কথা হয়। সে সময় ভেতর থেকে হাসনাত ‘আছি কোনো রকমে আছি’ বলেই ফোন কেটে দেয়। এরপর ১০টা ৪১ মিনিটি দ্বিতীয়বার কথা হয়। এ সময় হাসনাত মোবাইলে চাচা আনোয়ারুল করিমকে বলেন, ‘ওরা আমাদের জিম্মি করে রাখছে। আশেপাশে পুলিশ থাকলে বল গুলি না চালাতে। গুলি চালালে আমাদের মেরে ফেলবে।’ এরপর ১১টা থেকে আর হাসনাতের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে আনোয়ারুল জানান।

 

গুলশানে রেস্তোরাঁয় জিম্মি করে রাখা দুর্বৃত্তদের গুলি ও বোমায় বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাহউদ্দিন নিহত হয়েছেন। তাঁর মরদেহ এখন গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রয়েছে। সেখানে উপস্থিত থাকা তাঁর ব্যক্তিগত গাড়ি চালক মো. মোস্তফা এটিএন২৪অনলাইন নিউজে এটা নিশ্চিত করেছেন। মোস্তফা জানান, আরও বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য ওই হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

 

এদিকে র‍্যাবের মহাপরিচালক বেনজির আহমেদ সাংবাদিকদের বলেছেন, গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারি নামের একটি স্প্যানিশ রেস্তোরাঁর ভেতর যারা আছেন তাদের জীবনের নিরাপত্তা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। যারা বিপদগামী লোকজন ভেতরে আছে, তাদের সঙ্গে আমরা কথাবার্তা বলতে চাই।

share on: